যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নতুন মোড় নিয়েছে। একদিকে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা ও পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি, অন্যদিকে কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে সমঝোতার চেষ্টা চলছে।
এএনআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্ভাব্য বড় ধরনের সামরিক অভিযান নিয়ে আলোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গেও ফোনে সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে কথা বলেন তিন
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সামরিক চাপের পাশাপাশি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরানের কাছে আলোচনার একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তেহরান প্রস্তাবটিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে। ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনের মনোভাব আগের তুলনায় নমনীয় হয়েছে।
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কাতারের রাজধানী দোহা অথবা তুরস্কের ইস্তাম্বুলে দুই দেশের প্রতিনিধিদের বৈঠক হতে পারে।
তবে কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমেনি। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল হামলা চালালে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি, ইরান চাপের মুখে আলোচনায় বসতে বাধ্য হচ্ছে এবং চলমান সংঘাত শিগগিরই সমাধানের দিকে এগোচ্ছে।







