মাউশি অধিদপ্তর ও নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনাল এর যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন Adolescent Women Health and Nutrition Intervention এর শিক্ষার্থীদের কৈশোরকালীন পুষ্টি (কৈশোর কালীন স্বাস্থ্য, পুষ্টি, আয়রণ ফলিক এসিড ট্যাবলেটের) কার্যক্রমসমূহের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ, সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধানের কৌশল নির্ধারণে মাউশি ও নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনালের কর্মকর্তাগন পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার কেউন্দিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভিজিট করেন।
রবিবার (১ নভেম্বর) সকালে মাউশি ও নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনালের কর্মকর্তাগন বিদ্যালয় পরিদর্শন কালে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
কেউন্দিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অশোক চন্দ্র হালদারের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পিরোজপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মতিউর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক (প্রশিক্ষণ) শাহ্ মুহাম্মদ মামুন মোরশেদ, সহকারী পরিচালক (প্রশিক্ষণ-১)এস. এম. সাইফুল ইসলাম, নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনালের রিজিওনাল টেকনিক্যাল এডভাইজার এডোলেসেনস প্রোগ্রামার সোয়েতা উপাধ্যায়, জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ ইদ্রিস আলী আযিযী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনাল ন্যাশনাল প্রোগ্রাম অফিসার শিরিন আফরোজ, কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আরএমও ডাঃ নাহিদ হাসান শাওন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল হান্নান, নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনাল জেলা কো-অর্ডিনেটর নুসরাত জাহান, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ আব্দুল রাজ্জাক রাজু, ইউপি সদস্য মোঃ সাঈদ সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক – শিক্ষার্থী।
বিদ্যালয় সূত্রে জানাযায়, মাউশি ও নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনালের সহায়তায় কৈশোরকালীন পুষ্টি কার্যক্রমে বিদ্যালয়ের ছাত্রীকে প্রতি সপ্তাহে একটি করে আইএফএ ট্যাবলেট খাওয়ানো শুরু করা হয়, যা বর্তমানে চলমান। ‘কৈশোরকালীন পুষ্টি কার্যক্রম বাস্তবায়ন গাইডলাইন-২০২০’ অনুসারে ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সের মেয়ে শিক্ষার্থীদের জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সহযোগিতায় জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার তত্বাবধানে আইএফএ ট্যাবলেট খাওয়ানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কৈশোরকালীন পুষ্টির সব কার্যক্রম (পুষ্টি শিক্ষা, বিএমআই পরিমাপ, কৃমিনাশক ট্যাবলেট বিতরণ ও শারীরিক শিক্ষা) চলমান রয়েছে বিদ্যালয়ে।
বিদ্যালয় পরিদর্শন কালে কর্মকর্তারা বলেন, মাঠ পর্যায়ে নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনাল এর সহায়তায় বাস্তবায়িত কৈশোরকালীন পুষ্টি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে সরকার। কৈশোরকালীন সময়ে (১০-১৯ বছর) বয়সী শিক্ষার্থীদের দ্রুত শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটে, তাই এই সময়ে সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্যে ছাত্রীদের কৈশোর কালীন স্বাস্থ্য, পুষ্টির ঘটিত পূরনের জন্য আয়রন ফলিক এসিড ট্যাবলের খাওয়ানো হচ্ছে। এ কার্যক্রমসমূহের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ, সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধানের কৌশল নির্ধারণের জন্য মাঠ পর্যায়ে ভিজিট করে আমরা প্রতিবেদন দিবো।
কফি প্রতিদিনের সংবাদ







